ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

মিরপুরে আজ মহারণ

প্রকাশ: ২০১৯-০২-০৬ ১১:১৮:৪৯ || আপডেট: ২০১৯-০২-০৬ ১১:১৮:৪৯

রবি-পেসার হান্টের বিজয়ী হয়ে নজর কেড়েছিলেন এবাদত হোসেন। হাই পারফরম্যান্স, ‘এ’ দল, বিসিবি একাদশ; অনেক রকম দলের অংশ হয়েই ছিলেন জাতীয় দলের ধারেকাছে। কিন্তু মূল দলে সুযোগটা মিলছিল না। অবশেষে এবাদত সুযোগ পেয়ে গেলেন ভাগ্যচক্রে। তাসকিন আহমেদের চোটে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন এবাদত। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসকে জানালেন তাঁর অনুভূতির কথা।

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : অভিনন্দন এবাদত, জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার জন্য। কেমন লাগছে প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পেয়ে?

এবাদত হোসেন : আলহামদুলিল্লাহ, খুবই ভালো লাগছে। জাতীয় দলে ডাক পেয়েছি প্রথমবারের মতো। এখন সবাইকে বলব আমার জন্য দোয়া করতে, যাতে আমি ভালো পারফরম্যান্স দিয়ে জায়গাটা ধরে রাখতে পারি। আমি খুবই খুশি।

প্রশ্ন : বিপিএলে খুব বেশি ম্যাচ যদিও খেলেননি, তবে শেষ ম্যাচটায় ভালো বোলিং করেছেন। কোচ ওয়াকার ইউনিস কী বলেছেন ম্যাচের পর?

এবাদত : আমরা আসলে নির্বাচনের জন্য টুর্নামেন্টের আগে খুব একটা অনুশীলন করতে পারিনি। শুরুর দিকে কোচ খুব একটা ভরসা পাননি, আস্তে আস্তে বোলিং দেখে মুগ্ধ হয়েই দলে নিয়েছেন। শেষ ম্যাচের পর বলেছেন, ‘আমি খুবই মুগ্ধ তোমার বোলিংয়ে।’ ওয়াকার ইউনুসের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি।

প্রশ্ন : বিপিএলের আগে তো বিসিএল খেলেছেন। সেখানেও আপনার পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট। তবে টি-টোয়েন্টির ৪ ওভারের বোলিং থেকে লাল বলে লম্বা স্পেলের বোলিংয়ে মানিয়ে নিতে সময় লাগবে না?

এবাদত : খেলার মধ্যে থাকায় সমস্যা হওয়ার কথা না। আর আমরা (টেস্ট দল) তো যাব পরে, তাই অনুশীলনের সময় পাচ্ছি। তা ছাড়া বিসিএলে আমি ছিলাম আমার দলের (উত্তরাঞ্চল) একমাত্র পেসার। আমাকে লম্বা সময় বল করতে হয়েছে। সেটা করেই আমি ২১ উইকেট নিয়ে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছি। লম্বা স্পেলে বোলিং করার সময় আমার আছে।

প্রশ্ন : আগেও তো নিউজিল্যান্ড গিয়েছিলেন, শিক্ষানবিশ হিসেবে। এখন যাচ্ছেন স্কোয়াডের খেলোয়াড় হিসেবে। কী পার্থক্য মনে হচ্ছে?

এবাদত : টেস্ট দলের সদস্য হিসেবে যাচ্ছি, জাতীয় দলের লোগো লাগানো ব্লেজার গায়ে দেব। আগেরবার ছিলাম দর্শক, এবার খেলব। সব মিলিয়ে অন্য রকম অভিজ্ঞতা।