ঢাকা, আজ সোমবার, ২ আগস্ট ২০২১

ভারতের গোলাবর্ষণে আযাদ কাশ্মীরে নিহত ৪, আহত ১১

প্রকাশ: ২০১৯-০২-২৭ ১০:৩৪:২০ || আপডেট: ২০১৯-০২-২৭ ১০:৩৪:২০

ভারতের গোলাবর্ষণে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের ৪জন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোটলি, ভিম্বার ও পুঞ্চ জেলায় এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

পাকিস্তানে ভারতীয় সেনাদের এ হামলার ঘটনায় তিব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি)।

এর আগে ভারতীয় সামীন্ত এলাকার শূন্যরেখায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ভারি মর্টার শেল হামলায় দুই ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছে। এ হামলায় অনেকে আহত হয়েছে- এমন দাবি করছে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মঙ্গলবার ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পঞ্চ জেলায় বিকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এদিকে ভারতীয় পত্রিকা দ্য হিন্দু দাবি করেছে, ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানের পাঁচটি সীমান্ত ফাঁড়ি ধ্বংস করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে তিনটার দিকে ১২টি মিরাজ-২০০০ ফাইটার নিয়ে পাক নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের আস্তানায় অভিযান চালায় ভারতীয় বিমান বাহিনী।

এসময় বিমান থেকে ১ হাজার কেজি বোমা বর্ষণ করে জইশ-ই-মোহাম্মদের বেশ কিছু ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করে নয়াদিল্লি।

ওই অভিযানে জইশ-ই-মোহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারের শ্যালক ইউসুফ আজহারসহ অন্তত ৩০০ জঙ্গি মারা গেছেন বলে দাবি করছে ভারত।

তবে এ হামলায় কোনো হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী গণসংযোগ অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আসিফ গফুর।

এদিকে ইমরান খানের নেতৃত্বে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির জরুরি বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভারত যে স্থানে হামলা করার দাবি জানিয়েছে, সেখানে সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য বিশ্বের জন্য স্থানটি খোলা রাখা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ভারতীয় সরকার আরেকবার তাদের আত্মস্বার্থে বেপরোয়া কাল্পনিক দাবির আশ্রয় নিয়েছে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় ভারতের কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর (সিআরপিএফ) কমপক্ষে ৪৬ সদস্য নিহত হয়।

ওই হামলার পরপরই একটি ভিডিওবার্তায় দায় স্বীকার করে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী জইশ-ই-মোহাম্মদ।

এমন হামলায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করে মোদি সরকার।

জবাবে প্রমাণ চেয়ে এমন অভিযোগ উড়িয়ে দেয় ইমরান খানের সরকার।

এরপর থেকেই ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দুই দেশে নিজেদের পারমানবিক শক্তিধর বলে যুদ্ধের দামামা বাজাচ্ছে।

এ নিয়ে দুই দেশের মাঝে যুদ্ধংদেহী অবস্থা বিরাজ করছে।