ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

নিশোকে প্রেমের প্রস্তাব দিলেন তানজিন তিশা

প্রকাশ: ২০১৯-০৩-০১ ১০:১৩:০৬ || আপডেট: ২০১৯-০৩-০১ ১০:১৩:০৬

একই এলাকায় বাস করেন আফরান নিশো ও তানজিন তিশা। দু’জন দু’ধরনের চিন্তার মানুষ। পরিচিত হওয়ায় একে অপরের প্রতি ভালোলাগা তৈরি হয় এক সময়।

সেই সূত্র ধরে আফরান নিশোকে প্রেমের প্রস্তাব দেন তানজিন তিশা। নিশো নানা অজুহাত দেখায় তিশাকে। কিন্তু এক সময় সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে নিশো। এ কাজটি করে আবার অজুহাত দেখান তিনি। নানা খুনসুটিতে এগিয়ে যেতে থাকে তাদের সম্পর্ক। এক সময় বিয়ের কথা উপস্থাপন করলে বিয়ে করা নিয়েও অজুহাত দেখায় নিশো। এতে বিরক্ত হয় তিশা।

এক সময় নিশো অজুহাত পাশ কাটিয়ে বিয়ে করার জন্য মনস্থির করে। কিন্তু ততদিনে তিশা নিশোকে নিয়ে বিরক্ত হয়ে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। নিশো শুধু তিশাকে নিয়ে নয় তার জীবনযাপনের সব কাজ করার আগেই বিভিন্ন অজুহাত দাঁড় করায়।

এ অজুহাত দাঁড় করানোটা তার স্বভাব হয়ে দাঁড়ায়। এ রকম একটি গল্প নিয়েই তৈরি হয়েছে সাত পর্বের ঈদের নাটক ‘মিস্টার অজুহাত’। সাজিন আহমেদ বাবুর রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন মিলন ভট্টাচার্য। সম্প্রতি উত্তরার একটি শুটিং হাউসে এ নাটকটির শুটিং হয়।

সরেজমিনে সেখানে যেতেই তিশা ও নিশোর সেই মান-অভিমানের দৃশ্য ধারণের কাজ চোখে পড়ে। তুমুল ঝগড়ায় তাদের সেই দৃশ্য ধারণ সম্পন্ন হওয়ায় পরিচালকের বাহ্বা পান তারা দু’জন।

শটটি নেয়ার পরপরই হাউসের ভেতরে গ্রিনরুমে চলে যান নাটকের দুই মুখ্য অভিনয়শিল্পী। নিশো দুপুরের খাবার খাওয়ায় মনোযোগ দিলেও তিশা স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ হিসেবে ব্যাগ থেকে চিপসের প্যাকেট বের করেন। এ সময় পাশ থেকে নিশো তানজিন তিশাকে টিপ্পনী কাটেন। কিন্তু তিশা সেই টিপ্পনীর গুরুত্ব না দিয়ে আপনমনে চিপস দিয়েই দুপুরের আহার পর্ব সমাপ্ত করেন।

ঠিক সে সময়েই পরিচালক ও নাট্যকার প্রবেশ করেন গ্রিনরুমে। কথায় কথায় জমে ওঠে তুমুল আড্ডা। আড্ডার মধ্যমণি হয়ে নিশো সবাইকে কথায় বিমোহিত করে তোলেন।

তার ব্যক্তি জীবনের নানা বাঁকের কথা অকপটে সেই আড্ডায় তুলে ধরেন। তার এসব কথার মনযোগী শ্রোতা হয়ে তিশা নিশোকে সমর্থন জোগান। আড্ডায় কথায় সময় দুপুর গড়িয়ে বিকালে গড়ায়। ততক্ষণে সহকারী পরিচালক এসে জানালেন ক্যামেরা রেডি।

অগত্য আড্ডার ইতি টানতেই হল সবাইকে। তুমুল আড্ডার রেশ কাটিয়ে তিশা-নিশো দু’জনেই পরবর্তী দৃশ্যধারণের জন্য তৈরি হতে থাকেন। রাস্তার ওপর সেট তৈরি করে পরিচালক অপেক্ষায়। আবার শুরু হয় শুটিং।

এ দৃশ্যে নিশো তিশার পিছু নেয়। বোঝানোর চেষ্টা করে, কিন্তু তিশা তার কথায় গুরুত্ব না দিয়ে উপেক্ষা করে তার গন্তব্যে পা বাড়ায়। এভাবেই কয়েকটি দৃশ্যের মাধ্যমে বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামে।